আমাদের গল্প

jijlive – বাংলাদেশের মানুষের জন্য তৈরি বিশ্বমানের বেটিং অভিজ্ঞতা

jijlive শুধু একটি বেটিং সাইট নয় – এটা বাংলাদেশের কোটি মানুষের স্পোর্টস ভালোবাসাকে আরো একটু উত্তেজনাময় করে তোলার একটা চেষ্টা। বাংলায়, বিকাশে, আপনার মতো করে।

লাইসেন্সপ্রাপ্ত সম্পূর্ণ বাংলায় ১০ লক্ষ+ সদস্য ২০১৮ থেকে
১০ লক্ষ+
নিবন্ধিত সদস্য
৭ বছর
পরিষেবার অভিজ্ঞতা
৩০+
স্পোর্টস বিভাগ
২৪/৭
বাংলা সাপোর্ট

আমরা কী চাই এবং কেন করছি

jijlive-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি মূল ভাবনা কাজ করে।

আমাদের মিশন

বাংলাদেশের মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং সত্যিকারের মজার বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া – ভাষার বাধা ছাড়া, প্রযুক্তির জটিলতা ছাড়া। যে কেউ যেকোনো জায়গা থেকে যেন সহজে খেলতে পারেন।

আমাদের ভিশন

২০২৮ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারী-বান্ধব স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ শুধু খেলে না – বিশ্বাস করে।

আমাদের প্রতিশ্রুতি

প্রতিটি সদস্যের অভিজ্ঞতা যেন ভালো হয় সেটা নিশ্চিত করা। দ্রুত পেমেন্ট, সৎ অডস, এবং সত্যিকারের সাপোর্ট – এই তিনটি বিষয়ে jijlive কোনো আপোষ করে না।

jijlive কীভাবে শুরু হয়েছিল

২০১৮ সালের কথা। বাংলাদেশে তখন ক্রিকেট বেটিং করতে হলে অস্বচ্ছ ও ঝুঁকিপূর্ণ বিদেশি সাইটে যেতে হতো। ইন্টারফেস ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি দেশের সাথে মেলে না, কোনো সমস্যায় বাংলায় সাহায্য নেই। এই সমস্যাটা খুব ভালো করে বুঝতে পেরেছিলেন jijlive-এর প্রতিষ্ঠাতারা, যারা নিজেরাও স্পোর্টস ভালোবাসতেন এবং এই অভিজ্ঞতাটা নিজেরাই করেছিলেন।

সেখান থেকেই jijlive-এর যাত্রা শুরু। লক্ষ্যটা ছিল সহজ কিন্তু সাহসী – বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলায়, বাংলাদেশের পেমেন্ট পদ্ধতিতে একটা নির্ভরযোগ্য বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। প্রথম দিকে দলটা ছিল ছোট, মাত্র কয়েকজন মিলে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু প্রযুক্তি ও পরিষেবার মানে কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি।

২০১৯ সালে jijlive-এর প্রথম পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ লঞ্চ হয়। বিকাশে পেমেন্ট, বাংলা ইন্টারফেস এবং ক্রিকেট কেন্দ্রিক বেটিং মার্কেট নিয়ে প্ল্যাটফর্মটা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কথা ছড়িয়ে পড়েছিল মুখে মুখে – বিকাশে টাকা দাও, কয়েক সেকেন্ডে ব্যালান্স আসে, আর জিতলে ১৫ মিনিটে বিকাশে ফিরে যায়। এই সহজ অভিজ্ঞতাটাই jijlive-এর প্রথম বড় সাফল্য।

২০২০ এবং ২০২১ সালে jijlive ফুটবল, কবাডি, টেনিস ও আরো অনেক খেলায় বেটিং মার্কেট যোগ করে। ইন-প্লে বেটিং ফিচার আসে যেটা তখন বাংলাদেশে কার্যত অনুপলব্ধ ছিল। একটা ম্যাচ চলাকালীন রিয়েলটাইমে বাজি ধরার সুযোগ পেয়ে ব্যবহারকারীরা অভিভূত হয়েছিলেন। একই বছর নগদ ও রকেট পেমেন্ট যোগ হয়, যা ডিভিশনাল শহরের বাইরের ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধাজনক ছিল।

jijlive-এর প্রতি মানুষের বিশ্বাস একদিনে তৈরি হয়নি। অনেক চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে আসতে হয়েছে। একবার সার্ভার সমস্যায় ডিপোজিট আটকে যাওয়ার ঘটনায় jijlive সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে ব্যবহারকারীদের জানায় এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব সমাধান করে দেয়। এই ধরনের ঘটনাগুলোই একটি প্ল্যাটফর্মের চরিত্র প্রকাশ করে – jijlive সেই পরীক্ষায় উতরে গেছে বারবার।

আজ jijlive-এ ১০ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। দলটা এখন শতাধিক কর্মীর – বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, পেমেন্ট বিশেষজ্ঞ থেকে কাস্টমার সাপোর্ট টিম পর্যন্ত। কিন্তু মূল দর্শনটা আগের মতোই আছে – ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা সবার আগে।

jijlive-এর টিম মনে করে বেটিং একটি বিনোদন, দায়িত্বের সাথে করলে এটা উপভোগের উৎস হতে পারে। তাই প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল গেমিংয়ের সুযোগও রাখা হয়েছে – ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন, এবং সমস্যায় পড়লে সাহায্য পাওয়ার ব্যবস্থা। কারণ jijlive চায় তার সদস্যরা দীর্ঘমেয়াদে ভালো থাকুন, শুধু এক মৌসুম নয়।

ভবিষ্যতে jijlive আরো নতুন ফিচার আনার পরিকল্পনায় আছে – উন্নত লাইভ স্ট্রিমিং, আরো স্থানীয় লিগের কভারেজ, এবং ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগতকৃত পরামর্শ। লক্ষ্য একটাই – বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিশ্বের সেরা বেটিং অভিজ্ঞতাটা পৌঁছে দেওয়া, তাদের ভাষায়, তাদের সুবিধায়।

  • ২০১৮
    jijlive প্রতিষ্ঠা

    বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণ বাংলা বেটিং প্ল্যাটফর্মের ধারণা জন্ম নেয়।

  • ২০১৯
    প্রথম লঞ্চ

    বিকাশ পেমেন্ট ও বাংলা ইন্টারফেস নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্ল্যাটফর্ম চালু।

  • ২০২০
    ইন-প্লে বেটিং

    রিয়েলটাইম ইন-প্লে ফিচার ও নগদ/রকেট পেমেন্ট যোগ।

  • ২০২২
    মোবাইল অ্যাপ

    অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ লঞ্চ – ৫ লক্ষ ডাউনলোড প্রথম বছরেই।

  • ২০২৬
    ১০ লক্ষ সদস্য

    নিবন্ধিত সদস্য ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। নতুন VIP প্রোগ্রাম চালু।

ইমেইল
support@jijlive.best
লাইভ চ্যাট
২৪/৭ উপলব্ধ
ওয়েবসাইট
jijlive.best
সাপোর্ট সময়
সপ্তাহে ৭ দিন

আমাদের প্ল্যাটফর্মকে আলাদা করে যা

jijlive বেছে নেওয়ার পেছনে শুধু অডস নয়, এই ছয়টি বিষয়ও আছে।

সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস

মেনু থেকে বেটিং স্লিপ, নোটিফিকেশন থেকে সাপোর্ট চ্যাট – jijlive-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও সমস্যা নেই।

বিকাশ/নগদে তাৎক্ষণিক লেনদেন

ডিপোজিট হয় কয়েক সেকেন্ডে, উইথড্র ৫–১৫ মিনিটে বিকাশে চলে আসে। কোনো মধ্যবর্তী ধাপ নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই।

রিয়েলটাইম ইন-প্লে বেটিং

ম্যাচ চলাকালীন অডস প্রতি সেকেন্ডে আপডেট হয়। ক্রিকেটের প্রতিটি বলে এবং ফুটবলের প্রতিটি মিনিটে বাজি ধরার সুযোগ।

নিরাপদ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত

jijlive আন্তর্জাতিক লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত। SSL 256-bit এনক্রিপশন ও দুই স্তরের যাচাই প্রক্রিয়া আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে।

বিশেষজ্ঞ বেটিং বিশ্লেষণ

প্রতিদিন ক্রিকেট, ফুটবল ও কবাডিতে বিশেষজ্ঞ টিপস পাওয়া যায়। ডেটা-চালিত বিশ্লেষণ পাঠকের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট

যেকোনো সমস্যায় রাত-দিন যেকোনো সময় বাংলায় সাহায্য পাবেন। লাইভ চ্যাটে সাধারণত ২ মিনিটের মধ্যে সাড়া পাওয়া যায়।

আমরা যে মূল্যবোধগুলো ধারণ করি

স্বচ্ছতা

jijlive-এ কোনো লুকানো নিয়ম বা শর্ত নেই। অডস কীভাবে তৈরি হয়, বোনাসের শর্ত কী, পেমেন্ট কীভাবে কাজ করে – সব কিছু পরিষ্কারভাবে বাংলায় লেখা আছে।

বিশ্বাসযোগ্যতা

সাত বছর ধরে লক্ষ লক্ষ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে jijlive-এ। একটি টাকাও অযৌক্তিকভাবে আটকানো হয়নি – এই রেকর্ডটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

দ্রুততা

ডিপোজিট থেকে উইথড্র – jijlive-এ সব কিছু দ্রুত। কারণ আমরা জানি আপনার সময় মূল্যবান এবং একটি চলমান ম্যাচে দেরি মানে সুযোগ হাতছাড়া।

দায়িত্বশীলতা

jijlive বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম, তাই সদস্যদের সুস্থতা আমাদের অগ্রাধিকার। ডিপোজিট লিমিট, কুলিং-অফ ও সেলফ-এক্সক্লুশন সুবিধা সবসময় চালু আছে।

যাদের হাতে jijlive

প্রযুক্তি, স্পোর্টস ও ফিনান্সে অভিজ্ঞ একটি বৈচিত্র্যময় দল jijlive পরিচালনা করে।

রাফিউল ইসলাম
প্রতিষ্ঠাতা ও CEO
নেতৃত্ব
তাসনিম হক
CTO
প্রযুক্তি
মারুফ হোসেন
পেমেন্ট প্রধান
ফিনটেক
সুমাইয়া রহমান
সাপোর্ট প্রধান
গ্রাহকসেবা
জিয়াউল করিম
স্পোর্টস বিশ্লেষক
বিশ্লেষণ
নাহিদা পারভীন
কমপ্লায়েন্স অফিসার
নিরাপত্তা

jijlive কেন নিরাপদ ও বিশ্বস্ত

লাইসেন্স থেকে প্রযুক্তি পর্যন্ত – jijlive-এর বিশ্বাসযোগ্যতার পেছনে আছে কংক্রিট পদক্ষেপ।

আন্তর্জাতিক লাইসেন্স
অনুমোদিত পরিচালক
SSL 256-bit
এনক্রিপ্টেড লেনদেন
KYC যাচাই
পরিচয় সুরক্ষিত
দ্রুত উইথড্র
৫–১৫ মিনিট
২৪/৭ সাপোর্ট
বাংলায় সাহায্য
দায়িত্বশীল গেমিং
সদস্যের সুস্থতা

jijlive আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং AML (অর্থপাচার বিরোধী) নির্দেশিকা মেনে পরিচালিত হয়। যেকোনো অভিযোগ বা সমস্যায় সরাসরি লাইভ চ্যাটে অথবা support@jijlive.best-এ যোগাযোগ করুন।

আমাদের সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা

এই প্রশ্নটা করা ঠিকই আছে – বাংলাদেশে অনেক ভুয়া সাইট আছে, সেটা সত্যি। jijlive আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশনের লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত। লাইসেন্স নম্বর ও বিস্তারিত তথ্য সাইটের ফুটারে এবং নিয়ম ও শর্তাবলী পেজে পাওয়া যায়। ২০১৮ সাল থেকে jijlive চলছে – সাত বছরে কোনো বড় পেমেন্ট বিতর্ক বা ব্যবহারকারীর টাকা আটকানোর ঘটনা নেই। এছাড়া SSL এনক্রিপশন, KYC যাচাই এবং AML নীতি মেনে চলা – এই সব মিলিয়ে jijlive বাংলাদেশে সবচেয়ে স্বচ্ছ প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি। তবুও যদি সন্দেহ থাকে, ছোট পরিমাণ দিয়ে শুরু করুন এবং একটি উইথড্র সম্পন্ন করলেই বুঝতে পারবেন।

jijlive নিয়মিত বিভিন্ন টুর্নামেন্ট ও লিডারবোর্ড প্রতিযোগিতার আয়োজন করে – বিশেষত বড় ক্রিকেট সিরিজ বা ফুটবল টুর্নামেন্টের সময়। অংশগ্রহণের জন্য সাধারণত কোনো আলাদা নিবন্ধন করতে হয় না – নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট বাজার বা ম্যাচে বাজি ধরলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে লিডারবোর্ডে নাম ওঠে। তবে প্রতিটি প্রতিযোগিতার নিজস্ব শর্ত থাকে – যেমন সর্বনিম্ন বাজির পরিমাণ, যোগ্য মার্কেট বা নির্দিষ্ট সময়সীমা। এই শর্তগুলো প্রতিযোগিতার পেজে বাংলায় স্পষ্ট করে লেখা থাকে। লিডারবোর্ডে শীর্ষে থাকলে পুরস্কার সরাসরি jijlive ওয়ালেটে যোগ হয়। আসন্ন প্রতিযোগিতার নোটিফিকেশন পেতে অ্যাপে পুশ নোটিফিকেশন চালু রাখুন।
আমরা দায়িত্বশীল বেটিংয়ে বিশ্বাস করি

jijlive-এ মজা করুন, কিন্তু সীমার মধ্যে থেকে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ সুবিধা সবসময় পাওয়া যায়। বেটিং যদি কখনো আনন্দের বদলে চাপের কারণ হয়ে ওঠে, তাহলে বিরতি নিন এবং প্রয়োজনে সাহায্য নিন।

দায়িত্বশীল গেমিং নীতি পড়ুন →

jijlive পরিবারের অংশ হোন

১০ লক্ষ+ সদস্যের সাথে যোগ দিন – বাংলায়, বিকাশে, আপনার মতো করে।

English